জমিরিয়া তা'লিম ও তায্কিয়া পরিষদ বাংলাদেশ — পরিচিতি
মুসলিম সমাজে কুরআন ও সুন্নাহের বিশুদ্ধ আক্বীদা ও মৌলিক ধর্মীয় জ্ঞান প্রচারের লক্ষ্যে, সর্বজন শ্রদ্ধেয় বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্ব আধ্যাত্মিক রাহবার উপমহাদেশের প্রখ্যাত বুযুর্গ, কুতুবুল আলম আল্লামা শাহ্ জমির উদ্দীন রহ. ৮/৭/২০১০ ঈসায়ী তারিখে ৩৬ দক্ষ ও বিজ্ঞ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটির সমন্বয়ে 'জমীরিয়া তা'লিম ও তাযকিয়া পরিষদ বাংলাদেশ' নামে একটি শিক্ষাবোর্ড গঠন করেন। এটি সম্পূর্ণ রাজনীতিমুক্ত দ্বীনি শিক্ষা ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। বোর্ডের সাথে বাংলাদেশের ৮০০+ মাদরাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পৃক্ত; তারা বোর্ডের পরামর্শে পরিচালিত হয়ে আসছে। বিভিন্ন প্রতিকূল অবস্থাতেও এ বোর্ডটি অধিনস্থ সমস্ত প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক ও শিক্ষাগত মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সদা তৎপর। এ সাফল্যকে আরও বেগবান করতে কেন্দ্রীয় বোর্ডের অধীনে বিভিন্ন জেলাভিত্তিক আঞ্চলিক বোর্ড-কমিটি গঠন করা হয়েছে। উক্ত কমিটির মাধ্যমে অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানসমূহের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও তা'লিম-তারবিয়াতসহ সার্বিক বিষয়ে তদারকি করা হয়।
মূলনীতি
- সম্পূর্ণ রাজনীতিমুক্ত দ্বীনি শিক্ষা ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান
- জেলাভিত্তিক আঞ্চলিক বোর্ড-কমিটির মাধ্যমে অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানের তা'লিম-তারবিয়াত ও আর্থিক মান তদারকি
- কুরআন ও সুন্নাহর বিশুদ্ধ আক্বীদা ও মৌলিক ধর্মীয় জ্ঞান প্রচার
উদ্দেশ্য
সমাজের সর্বস্তরে দ্বীনি চেতনার চিন্তাধারা প্রতিষ্ঠা করা, বাতিল তথা কুফর, শির্ক, বিদ'আত ও জাহিলিয়্যাত নির্মূল করা এবং এলাকার ছেলে মেয়েদের দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত ও উত্তম চরিত্রে চরিত্রবান করে গড়ে তোলা।
প্রধান কার্যালয়
জামিয়া ইসলামিয়া ওবাইদিয়া নানুপুর
বন্দরনগরী চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত, ফটিকছড়ি থানার নানুপুর গ্রাম
প্রতিষ্ঠা: ২৯ শাওয়াল ১৩৭৭ হিজরী মোতাবেক ১৯ মে ১৯৫৮ ঈসায়ী
মাসলাক: আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত; হানাফী ও দেওবন্দী
- প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম: শাহ্ আমীরুদ্দীন (রহ.) (১৩৭৭–১৩৮০ হিজরী)
- দ্বিতীয় মুহতামিম: আল্লামা শাহ্ সুলতান আহমদ নানুপুরী (রহ.) (১৩৮০–১৪০৫ হিজরী)
- তৃতীয় মুহতামিম: আল্লামা শাহ্ জমীর উদ্দীন নানুপুরী (রহ.) (১৪০৬–১৪৩২ হিজরী)
- বর্তমান মুহতামিম: আল্লামা শাহ্ ছালাহ্ উদ্দীন নানুপুরী (দামাত বারাকাতুহুম) (পরিষদের চেয়ারম্যান)
