পরিষদের লোগোজমিরিয়া তা'লিম ও তায্‌কিয়া পরিষদ বাংলাদেশঘরে ঘরে আলেম ও মুত্তাকী বান্দা, উন্নত হোক দেশের শিক্ষা

ওয়াকফ ও স্থায়ী তহবিল: মাদরাসার দীর্ঘমেয়াদি আয়

৬ নভেম্বর ২০২৬ · ৭ মিনিটে পড়া · জমিরিয়া তা'লিম ও তায্‌কিয়া পরিষদ

ওয়াকফ ও স্থায়ী তহবিল মাদরাসার দীর্ঘমেয়াদি আয়ের দুটি মজবুত পথ। ওয়াকফে একটি সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় স্থায়ীভাবে আলাদা করে রাখা হয় এবং তার উপকার বা আয় দ্বীনী কাজে ব্যয় হয়। স্থায়ী তহবিলে মূল অঙ্ক সংরক্ষিত থাকে আর তার বৈধ আয় দিয়ে নিয়মিত খরচ চালানোর চেষ্টা হয়। দুটোই চাঁদার ওপর নির্ভরতা কমাতে সাহায্য করে। ওয়াকফের শর্ত ও বৈধতার প্রশ্নে অবশ্যই নির্ভরযোগ্য মুফতী সাহেবের পরামর্শ নিন।

ওয়াকফ বলতে সাধারণভাবে কী বোঝায়?

ওয়াকফ হলো কোনো সম্পদ নিজের মালিকানা থেকে আলাদা করে দ্বীনী বা কল্যাণমূলক কাজের জন্য স্থায়ীভাবে নির্দিষ্ট করে দেওয়া। জমি, ভবন, দোকান বা অন্য কোনো আয়-উপার্জনক্ষম সম্পদ এর বিষয় হতে পারে। মূল সম্পদ বিক্রি বা উত্তরাধিকারে ভাগ হয় না; এর উপকার বা আয় নির্ধারিত খাতে যায়।

কোন সম্পদ ওয়াকফ করা যায়, কীভাবে ঘোষণা হবে, আর শর্তগুলো কী হবে, এ সবই ফিকহী প্রশ্ন। এখানে শুধু সাধারণ নীতি ও ব্যবস্থাপনার দিক আলোচনা করা হচ্ছে।

স্থায়ী তহবিল কীভাবে কাজ করে?

স্থায়ী তহবিল হলো এমন একটি তহবিল, যার মূল অঙ্ক খরচ না করে সংরক্ষণ করা হয়। এই অঙ্ক থেকে যে বৈধ আয় আসে, তা দিয়ে মাদরাসার নির্দিষ্ট খরচ, যেমন শিক্ষকের বেতনের একাংশ বা গরিব ছাত্রের সহায়তা, চালানো যায়।

গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো, তহবিল কোথায় রাখা বা খাটানো হবে তা শরীয়তসম্মত হতে হবে। এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মুফতী সাহেবের মত নিন। দাতা যদি কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বলে দেন, তবে সেই শর্ত মেনে চলাও জরুরি।

ওয়াকফ ও স্থায়ী তহবিল কেন দরকার?

মাদরাসার আয় যদি শুধু বছরের চাঁদার ওপর দাঁড়ায়, তবে একটি খারাপ মৌসুম বা মুহতামিমের অসুস্থতাও পুরো ব্যবস্থাকে নাড়িয়ে দিতে পারে। নিয়মিত একটি আয়ের উৎস থাকলে এই ঝুঁকি কমে। এই আলোচনা আরও বিস্তারিতভাবে আছে কালেকশননির্ভর নয়, স্বনির্ভর মাদরাসা লেখায়।

এর আরেকটি উপকার হলো স্থিতিশীলতা। শিক্ষকের বেতন, ভবনের রক্ষণাবেক্ষণ ও ছাত্রদের খাবারের মতো নিয়মিত খরচে নিশ্চিন্ত থাকা যায়। তাতে মুহতামিম ও শিক্ষকরা পড়াশোনার মানে বেশি মন দিতে পারেন।

শুরু করার আগে কোন কাগজপত্র ঠিক রাখবেন?

ওয়াকফ বা স্থায়ী তহবিলের সবচেয়ে বড় সংকট আসে অস্পষ্ট কাগজ থেকে। তাই শুরুতেই নিচের বিষয়গুলো গুছিয়ে নিন:

  • সম্পদ কে, কী উদ্দেশ্যে, কোন শর্তে দিলেন তা লিখিত আকারে রাখুন।
  • দলিল ও সংশ্লিষ্ট নথি প্রযোজ্য আইন ও সরকারি নিয়ম অনুযায়ী হালনাগাদ আছে কি না, সংশ্লিষ্ট অফিস বা আইন-বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে যাচাই করে নিন।
  • দায়িত্বশীল (মুতাওয়াল্লী) কারা থাকবেন এবং কমিটির সিদ্ধান্ত কীভাবে নেওয়া হবে, তা কার্যবিবরণীতে লিখুন।
  • সম্পদের একটি তালিকা তৈরি করুন এবং বছরে অন্তত একবার তা মিলিয়ে দেখুন।

জমির কাগজপত্র নিয়ে আরও জানতে দেখুন মাদরাসার জমির কাগজপত্র।

আয়-ব্যয়ের হিসাব কীভাবে রাখবেন?

ওয়াকফ বা স্থায়ী তহবিলের হিসাব মাদরাসার সাধারণ চাঁদা, সদাকা ও যাকাতের হিসাব থেকে আলাদা রাখতে হবে। কারণ এর উদ্দেশ্য, ব্যয়ের খাত ও শর্ত ভিন্ন। তহবিল আলাদা রাখার নিয়ম আছে চাঁদা, সদাকা ও যাকাতের তহবিল আলাদা রাখার নিয়ম লেখায়।

বাস্তবে এই কাজগুলো করুন:

  1. আলাদা খাতা বা আলাদা শিরোনামে আয় ও ব্যয় লিখুন।
  2. প্রতিটি আয়ের রসিদ এবং প্রতিটি ব্যয়ের ভাউচার রাখুন।
  3. মাসিক প্রতিবেদনে আয়ের পরিমাণ ও ব্যয়ের খাত দেখান।
  4. বছর শেষে অডিটের সময় সম্পদের তালিকা ও আয়-ব্যয় একসাথে যাচাই করান।

কী কী সতর্কতা মনে রাখবেন?

প্রথমত, কোনো আয়ের আশায় ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবেন না। মূল সম্পদ হারানোর ঝুঁকি থাকলে সিদ্ধান্ত আরও ভেবেচিন্তে নিন। দ্বিতীয়ত, দাতার শর্ত লঙ্ঘন করবেন না। তৃতীয়ত, ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য সম্পদ ব্যবহার করবেন না এবং কাউকে করতেও দেবেন না। চতুর্থত, বড় সিদ্ধান্তে একজনের মতের ওপর নির্ভর না করে কমিটির পরামর্শ নিন ও লিখে রাখুন।

বাস্তব অবস্থায় সব মাদরাসা একই গতিতে এগোতে পারে না। ছোট থেকে শুরু করা, ধৈর্য ধরা এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখাই এখানে বড় পুঁজি। মাদরাসার আয়ের অন্যান্য পথ নিয়ে দেখতে পারেন মাদরাসার টেকসই আয়ের উৎস।

কুরআন ও হাদীসের আলোকে

এই বিষয়ে কুরআন ও হাদীসের একটি করে নির্দেশনা দেখা যায়।

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ إِذَا تَدَايَنتُم بِدَيْنٍ إِلَىٰٓ أَجَلٍۢ مُّسَمًّۭى فَٱكْتُبُوهُ ۚ وَلْيَكْتُب بَّيْنَكُمْ كَاتِبٌۢ بِٱلْعَدْلِ ۚ وَلَا يَأْبَ كَاتِبٌ أَن يَكْتُبَ كَمَا عَلَّمَهُ ٱللَّهُ ۚ فَلْيَكْتُبْ وَلْيُمْلِلِ ٱلَّذِى عَلَيْهِ ٱلْحَقُّ وَلْيَتَّقِ ٱللَّهَ رَبَّهُۥ وَلَا يَبْخَسْ مِنْهُ شَيْـًۭٔا ۚ فَإِن كَانَ ٱلَّذِى عَلَيْهِ ٱلْحَقُّ سَفِيهًا أَوْ ضَعِيفًا أَوْ لَا يَسْتَطِيعُ أَن يُمِلَّ هُوَ فَلْيُمْلِلْ وَلِيُّهُۥ بِٱلْعَدْلِ ۚ وَٱسْتَشْهِدُوا۟ شَهِيدَيْنِ مِن رِّجَالِكُمْ ۖ فَإِن لَّمْ يَكُونَا رَجُلَيْنِ فَرَجُلٌۭ وَٱمْرَأَتَانِ مِمَّن تَرْضَوْنَ مِنَ ٱلشُّهَدَآءِ أَن تَضِلَّ إِحْدَىٰهُمَا فَتُذَكِّرَ إِحْدَىٰهُمَا ٱلْأُخْرَىٰ ۚ وَلَا يَأْبَ ٱلشُّهَدَآءُ إِذَا مَا دُعُوا۟ ۚ وَلَا تَسْـَٔمُوٓا۟ أَن تَكْتُبُوهُ صَغِيرًا أَوْ كَبِيرًا إِلَىٰٓ أَجَلِهِۦ ۚ ذَٰلِكُمْ أَقْسَطُ عِندَ ٱللَّهِ وَأَقْوَمُ لِلشَّهَٰدَةِ وَأَدْنَىٰٓ أَلَّا تَرْتَابُوٓا۟ ۖ إِلَّآ أَن تَكُونَ تِجَٰرَةً حَاضِرَةًۭ تُدِيرُونَهَا بَيْنَكُمْ فَلَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ أَلَّا تَكْتُبُوهَا ۗ وَأَشْهِدُوٓا۟ إِذَا تَبَايَعْتُمْ ۚ وَلَا يُضَآرَّ كَاتِبٌۭ وَلَا شَهِيدٌۭ ۚ وَإِن تَفْعَلُوا۟ فَإِنَّهُۥ فُسُوقٌۢ بِكُمْ ۗ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ ۖ وَيُعَلِّمُكُمُ ٱللَّهُ ۗ وَٱللَّهُ بِكُلِّ شَىْءٍ عَلِيمٌۭ

হে মুমিনগণ! যখন তোমরা কোন নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে ঋনের আদান-প্রদান কর, তখন তা লিপিবদ্ধ করে নাও এবং তোমাদের মধ্যে কোন লেখক ন্যায়সঙ্গতভাবে তা লিখে দেবে; লেখক লিখতে অস্বীকার করবে না। আল্লাহ তাকে যেমন শিক্ষা দিয়েছেন, তার উচিত তা লিখে দেয়া। এবং ঋন গ্রহীতা যেন লেখার বিষয় বলে দেয় এবং সে যেন স্বীয় পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় করে এবং লেখার মধ্যে বিন্দুমাত্রও বেশ কম না করে। অতঃপর ঋণগ্রহীতা যদি নির্বোধ হয় কিংবা দূর্বল হয় অথবা নিজে লেখার বিষয়বস্তু বলে দিতে অক্ষম হয়, তবে তার অভিভাবক ন্যায়সঙ্গতভাবে লিখাবে। দুজন সাক্ষী কর, তোমাদের পুরুষদের মধ্যে থেকে। যদি দুজন পুরুষ না হয়, তবে একজন পুরুষ ও দুজন মহিলা। ঐ সাক্ষীদের মধ্য থেকে যাদেরকে তোমরা পছন্দ কর যাতে একজন যদি ভুলে যায়, তবে একজন অন্যজনকে স্মরণ করিয়ে দেয়। যখন ডাকা হয়, তখন সাক্ষীদের অস্বীকার করা উচিত নয়। তোমরা এটা লিখতে অলসতা করোনা, তা ছোট হোক কিংবা বড়, নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। এ লিপিবদ্ধ করণ আল্লাহর কাছে সুবিচারকে অধিক কায়েম রাখে, সাক্ষ্যকে অধিক সুসংহত রাখে এবং তোমাদের সন্দেহে পতিত না হওয়ার পক্ষে অধিক উপযুক্ত। কিন্তু যদি কারবার নগদ হয়, পরস্পর হাতে হাতে আদান-প্রদান কর, তবে তা না লিখলে তোমাদের প্রতি কোন অভিযোগ নেই। তোমরা ক্রয়-বিক্রয়ের সময় সাক্ষী রাখ। কোন লেখক ও সাক্ষীকে ক্ষতিগ্রস্ত করো না। যদি তোমরা এরূপ কর, তবে তা তোমাদের পক্ষে পাপের বিষয়। আল্লাহকে ভয় কর তিনি তোমাদেরকে শিক্ষা দেন। আল্লাহ সব কিছু জানেন।

সূরা বাকারা, আয়াত ২:২৮২

লেনদেন লিখে রাখার এই নির্দেশ হিসাব-নিকাশের স্বচ্ছতার মূল ভিত্তি। আয়-ব্যয়ের খাতা, রসিদ ও ভাউচার রাখা এই শিক্ষারই বাস্তব রূপ।

عَلَيْكُمْ بِالصِّدْقِ فَإِنَّ الصِّدْقَ يَهْدِي إِلَى الْبِرِّ وَإِنَّ الْبِرَّ يَهْدِي إِلَى الْجَنَّةِ وَمَا يَزَالُ الرَّجُلُ يَصْدُقُ وَيَتَحَرَّى الصِّدْقَ حَتَّى يُكْتَبَ عِنْدَ اللَّهِ صِدِّيقًا وَإِيَّاكُمْ وَالْكَذِبَ فَإِنَّ الْكَذِبَ يَهْدِي إِلَى الْفُجُورِ وَإِنَّ الْفُجُورَ يَهْدِي إِلَى النَّارِ وَمَا يَزَالُ الرَّجُلُ يَكْذِبُ وَيَتَحَرَّى الْكَذِبَ حَتَّى يُكْتَبَ عِنْدَ اللَّهِ كَذَّابًا

ভাবার্থ: তোমরা সত্যকে আঁকড়ে ধরো; সত্য নেকীর পথ দেখায়, আর নেকী জান্নাতের দিকে নিয়ে যায়।

সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৬০৭

সত্যবাদিতা হিসাবেও জরুরি। যা আয় হয়েছে ও যা ব্যয় হয়েছে তা যেমন তেমন লেখা এবং কোনো কিছু গোপন না করাই আমানতদারি।

সংক্ষেপে করণীয়

  • ওয়াকফ বা স্থায়ী তহবিলের শর্ত ও বৈধতা নিয়ে আগে নির্ভরযোগ্য মুফতী সাহেবের পরামর্শ নিন।
  • দাতার উদ্দেশ্য ও শর্ত লিখিত আকারে সংরক্ষণ করুন।
  • সম্পদের কাগজপত্র প্রযোজ্য আইন ও সরকারি নিয়ম অনুযায়ী যাচাই করে রাখুন।
  • ওয়াকফ ও স্থায়ী তহবিলের হিসাব সাধারণ চাঁদার হিসাব থেকে আলাদা রাখুন।
  • কমিটির সিদ্ধান্ত কার্যবিবরণীতে লিখুন এবং বছরে অন্তত একবার সম্পদের তালিকা মিলিয়ে দেখুন।

প্রশ্নোত্তর

ওয়াকফ ও স্থায়ী তহবিল কি একই জিনিস?

না, এক নয়। ওয়াকফে একটি সম্পদ স্থায়ীভাবে নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয় এবং তার উপকার বা আয় খরচ হয়। স্থায়ী তহবিলে সাধারণত অর্থ সংরক্ষিত থাকে এবং বৈধ আয় ব্যবহার হয়। দুটির শরয়ী বিধান আলাদা হতে পারে, তাই মুফতী সাহেবের কাছ থেকে জেনে নিন।

ছোট মাদরাসাও কি স্থায়ী তহবিল গড়তে পারে?

হ্যাঁ, ছোট আকারে শুরু করা সম্ভব। আয়ের একটি অংশ আলাদা রেখে নিয়মিত জমানো এবং তা স্বচ্ছভাবে লিখে রাখা একটি ভালো শুরু। তবে কোন অর্থ এই তহবিলে রাখা যাবে, বিশেষ করে যাকাত ও সদাকার ক্ষেত্রে, তা মুফতী সাহেবের কাছ থেকে নিশ্চিত হয়ে নিন।

ওয়াকফের সম্পদ নিয়ে বিরোধ হলে কী করবেন?

শুরুতেই কাগজপত্র পরিষ্কার রাখলে বিরোধের সম্ভাবনা কমে। বিরোধ দেখা দিলে কমিটির সাথে বসে সমাধান খুঁজুন এবং প্রযোজ্য আইন ও সরকারি নিয়ম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট অফিস বা আইন-বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। অন্তর্ভুক্তির আবেদনে জমি নিয়ে বিরোধ থাকলে তা জানাতে হয়।

দাতা কি নির্দিষ্ট খাতে ব্যয়ের শর্ত দিতে পারেন?

সাধারণত দাতা উদ্দেশ্য নির্ধারণ করে দিতে পারেন এবং মাদরাসার উচিত তা রক্ষা করা। শর্ত কতটা বৈধ ও কীভাবে পালন করতে হবে, সে বিষয়ে মুফতী সাহেবের নির্দেশনা নিন এবং শর্তটি লিখিত রাখুন।

এই লেখা পরিষদের সম্পাদনা পরিষদের পক্ষ থেকে সাধারণ দিকনির্দেশনার জন্য। ফিকহী বা আইনগত বিষয়ে নির্ভরযোগ্য আলেম বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

#ওয়াকফ#স্থায়ী তহবিল#স্বনির্ভরতা#হিসাব

আরও পড়ুন

অডিট ও হিসাব

মাদরাসার টেকসই আয়ের উৎস

মাদরাসা চালাতে শুধু মৌসুমি চাঁদার ওপর নির্ভর না করে কীভাবে নিয়মিত ও বৈধ আয়ের ভিত্তি গড়বেন, তার বাস্তবসম্মত কিছু উপায়।

৬ মিনিটে পড়া · ৬ নভেম্বর ২০২৬

অডিট ও হিসাব

কালেকশননির্ভর নয়, স্বনির্ভর মাদরাসা: কীভাবে সম্ভব

শুধু চাঁদা সংগ্রহের ওপর নির্ভর না করে মাদরাসা ধীরে ধীরে নিজস্ব আয়ের উৎস কীভাবে গড়বে, কোন পথগুলো ভাবা যায় এবং কী সতর্কতা দরকার।

৬ মিনিটে পড়া · ৬ নভেম্বর ২০২৬

মাদরাসা পরিচালনা

মাদরাসার জমির কাগজপত্র: দলিল, ওয়াকফ ও সাবধানতা

মাদরাসার জমির দলিল, ওয়াকফ ও ভাড়া-চুক্তির কাগজ কীভাবে গুছিয়ে রাখবেন এবং ভবিষ্যৎ বিরোধ এড়াতে কী কী সাবধানতা নেবেন, তার ব্যবহারিক নির্দেশনা।

৬ মিনিটে পড়া · ৬ নভেম্বর ২০২৬

অডিট ও হিসাব

চাঁদা, সদাকা ও যাকাতের তহবিল আলাদা রাখার নিয়ম

মাদরাসায় চাঁদা, সদাকা ও যাকাতের টাকা কেন আলাদা রাখতে হয়, কীভাবে হিসাব রাখবেন এবং ব্যয়ের শরয়ী প্রশ্নে কার কাছে যাবেন।

৬ মিনিটে পড়া · ৬ নভেম্বর ২০২৬